
The Glory of the Gaṅgā: Pilgrimage Discipline, Ancestral Rites, and Liberation
অধ্যায়ের শুরুতে জৈমিনি ব্যাসকে গঙ্গার পরম মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে অনুরোধ করেন। এরপর স্তোত্রধর্মী প্রশংসায় বলা হয়—গঙ্গাতটে পদযাত্রা, তাঁর তরঙ্গধ্বনি শ্রবণ, গঙ্গাজল পান এবং গঙ্গামৃত্তিকার তিলক ধারণ করলে ইন্দ্রিয় ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ‘সফল’ হয়। তারপর তীর্থযাত্রার শৃঙ্খলা ও নীতি নির্দিষ্ট করা হয়—তপস্যা, সংযম, সত্যভাষণ, কলহবর্জন, ভোগাসক্তি ত্যাগ এবং গঙ্গানামের নিরন্তর জপ। গঙ্গার নিকটে গমন, প্রণাম, স্পর্শ, স্নান, মাটি সংগ্রহ, তিলকবিধি, তর্পণ-শ্রাদ্ধ, গঙ্গা ও বিষ্ণুপূজা এবং রাত্রিজাগরণের ক্রমও বলা হয়েছে। শেষভাগে কর্মফলের দৃষ্টান্ত—রাজা সত্যধর্ম ও রানি বিজয়া আশ্রয়প্রার্থী হরিণকে হিংসা করায় নরকভোগ করে পরে পশুযোনিতে (ব্যাঙ-দম্পতি) জন্ম নেন। গঙ্গাতীর্থযাত্রাপথে কালসর্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও পথে দেহত্যাগের ফলে গঙ্গাপ্রসাদে তাঁদের উত্থান, স্বর্গারোহণ ও মুক্তি ঘটে; এতে গঙ্গার তরণশক্তি ও অহিংসার শ্রেষ্ঠতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.