
Constituents of Kriyā-yoga and the Greatness of Gaṅgādvāra (The Story of King Manobhadra and the Vulture’s Past Lives)
জৈমিনি ব্যাসকে ক্রিয়া-যোগের সার জিজ্ঞাসা করেন এবং বলেন—মানবজন্ম দুর্লভ, তাই মুক্তির জন্য দ্রুত সাধনা আবশ্যক। ব্যাস ক্রিয়া-যোগের অঙ্গসমূহ নির্দিষ্ট করেন—গঙ্গার প্রতি শ্রদ্ধা ও পূজা, ধর্মসম্মত শ্রী/সমৃদ্ধি, বিষ্ণু-উপাসনা, দান, ব্রাহ্মণ-ভক্তি, একাদশী-ব্রত, ধাত্রী (আমলকি) ও তুলসীর ভক্তি, এবং অতিথি-সৎকার। এরপর গঙ্গার পাপহারিণী শক্তির মাহাত্ম্য বিশেষভাবে বলা হয়—গঙ্গাদ্বার, প্রয়াগ ও সমুদ্র-সঙ্গমে স্নান-সেবায় মহাপুণ্য; এমনকি ‘গঙ্গা’ নাম উচ্চারণমাত্রেও পাপ ক্ষয় হয়। পরে অন্তর্নিহিত কাহিনিতে রাজা মনোভদ্র এক গৃধ্রের মুখে তার পূর্বজন্মের কর্মকথা শোনেন—যমরাজ ও চিত্রগুপ্তের সভায় বিচার, ব্রাহ্মণদের প্রতি কৃপণতা ও পিতা-মাতার অবমাননার ভয়ংকর ফল, এবং গঙ্গায় আকস্মিক মৃত্যুতেও আশ্চর্য মুক্তিলাভ। শেষে ফলশ্রুতি—শ্রদ্ধায় পাঠ ও শ্রবণে দ্রুত পাপনাশের প্রতিশ্রুতি।
No shlokas available for this adhyaya yet.