
The Glory of Ekādaśī: From Vigil Worship to Yama’s Court and the Two Paths
ব্যাস রাজা কোচরাশ ও রানি সুপ্রাজ্ঞাকে একাদশী-ব্রতে নিবেদিত আদর্শ বৈষ্ণব রূপে বর্ণনা করেন। তাঁরা দশমীর সংযম পালন করে একাদশীর মধ্যরাতে জাগরণ করেন—গান, নৃত্য, ধূপ-দীপ, তুলসী-সেবা ও সমবেত কীর্তনে হরির পূজা করেন। ব্রাহ্মণ শৌরি তাঁদের বিরল আচরণ প্রশংসা করে শুদ্ধতার কারণ জানতে চান। সুপ্রাজ্ঞা পূর্বজন্মের পাপময় কাহিনি প্রকাশ করেন—বেশ্যা-জীবন এবং নিত্যোদয় নামক দুষ্কর্মী পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক। সেই জীবনে দুঃখবশত/অনিচ্ছাকৃত উপবাস, দীপ প্রজ্বালন, রাত্রি-জাগরণ ও নামস্মরণ একাদশীর দিনে তাঁদের পাপ বিনাশ করে। যমলোকে চিত্রগুপ্ত একাদশীর মহিমার সাক্ষ্য দেন; ধর্মরাজ যম তাঁদের সম্মান করে মুক্তি দিয়ে বিষ্ণুধামের পথে প্রেরণ করেন। এরপর পরলোকের দুই পথের উপদেশ আসে—ধার্মিকদের জন্য অলংকৃত সুখময় পথ এবং পাপীদের জন্য বিস্তৃত যন্ত্রণাময় পথ; নরক ও দণ্ডের তালিকাও বর্ণিত হয়। শেষে একাদশীকে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত বলে পুনরুচ্চারণ করে রাজদম্পতির হরি-প্রাপ্তিতে অধ্যায় সমাপ্ত হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.