
The Greatness of Devotion to Hari: The Bandit Urvīśu, Naivedya Merit, and What Pleases or Angers Viṣṇu
ব্যাস জৈমিনিকে বলেন—যারা নারায়ণের শরণ নেয়, তাদের অমঙ্গল স্পর্শ করে না; বিষ্ণুর মহিমা বৈষ্ণবদের মধ্যেই বলা উচিত। এরপর দৃষ্টান্ত—উর্বীশু নামে এক পাপাচারীকে আত্মীয়রা ত্যাগ করে; সে পরে দস্যু হয়। নদীতীরে বৈষ্ণব ব্রাহ্মণদের মুখে হরির উদ্দেশে নৈবেদ্য-অর্পণের বিধি শুনে সে মনে করে, মুরারিকে নিবেদিত বস্তু অতি পবিত্র; তাই যে গুড় সে নিবেদন করবে বলে স্থির করেছিল, তা নিজে না খেয়ে দান করে। জনার্দন তার পাপ হরণ করেন; নগরবাসী তাকে হত্যা করলেও সে হরিধামে গমন করে। দ্বিতীয় কাহিনিতে সর্বজনি নামের এক ব্রাহ্মণ স্বপ্নে কেশবকে দর্শন করে অনুতাপের স্তোত্রে স্তব করে। বিষ্ণু গোপন কর্মকারণ প্রকাশ করেন—পূর্বজন্মে পাখি হয়ে অনিচ্ছায় নৈবেদ্য ভক্ষণ থেকেই মুক্তির বীজ জন্মেছিল। তারপর প্রভু বলেন কোন আচরণে তিনি প্রসন্ন হন ও কোনটিতে ক্রুদ্ধ—ভক্তি, সেবা, দান, শুচিতা, সত্য এবং বৈষ্ণব-সম্মান প্রীতিকর; বৈষ্ণব-নিন্দা মহা অপরাধ। শেষে প্রতিদিন বাসুদেব-পূজার উপদেশ দেন।
No shlokas available for this adhyaya yet.