
Invocation, the Naimiṣāraṇya Frame, Kali-yuga’s Problem, and the Glory of Hari-kathā
অধ্যায়ের শুরুতে মঙ্গলাচরণে শ্রীবিষ্ণু (বরাহসহ) এবং লক্ষ্মীসহ বেদব্যাসের স্তব করা হয়। এরপর নৈমিষারণ্যের ঋষিসভা স্থাপিত হয়; সেখানে ঋষিগণ ব্যাসশিষ্য সূতকে সম্মান করে ধর্মকথা শ্রবণের জন্য আসন গ্রহণ করেন। শৌনক প্রশ্ন করেন—কলিযুগে নৈতিক অবক্ষয়, স্বল্পায়ু, দারিদ্র্য এবং পুণ্যসঞ্চয়ের ক্ষমতা হ্রাস পেলে ভক্তি ও প্রকৃত কল্যাণ কীভাবে জন্মায়? আলোচনায় উপদেশের নৈতিক ভার তুলে ধরা হয়—সৎপথে চালিত করলে পুণ্যের অংশীদার, কুপথে ঠেলে দিলে পাপের অংশীদার। করুণাময় শিক্ষককে কেশবসদৃশ বলা হয়েছে, আর বৈষ্ণব হরিকথা রোধ বা উপহাসকারীদের নিন্দা করা হয়েছে। শেষে সূত প্রমাণ-পরম্পরা স্থাপন করেন—ব্যাস যা জৈমিনিকে বলেছেন, তা তিনি বর্ণনা করবেন; কেন কলিযুগেও মুক্তি লাভ সম্ভব হয়। হরিকথাকে পাপনাশিনী ও ক্রিয়াযোগের সার বলে পরবর্তী অন্তর্গত সংলাপের ভূমিকা রচিত হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.